দুইটি কবিতা

ঘৃণার্ঘময় স্মৃতিবত ফুলেল ফাল্গুনী বাতাস

তোমাকে ভালোবাসার যেটুকু বয়স, তারোধিক তোমার গর্ভে
জন্ম নেয়া আমার ঘৃণার সময়।
ঘৃণায়- গাছের কঁচি পাতা শুকিয়ে ঝরে পড়ে।
সে ঘৃণা ভুলে থাকার, ভুলে যাবার প্রাণান্ত-
প্রচেষ্টাও এলো-মেলো করে দ্যায় ‘এক বাতাস’।
মনে পড়ে সে বাতাসের ইতিহাস…
এ সেই বাতাস; এক দীঘল ভালোবাসার পর নেহায়েৎ প্রস্ফুটিত হয়
ঘৃণার্ঘময় স্মৃতিবৎ এক ফুলেল ফাল্গুনী বাতাস।
দীর্ঘজীবী হও হে ঘৃণার্ঘময় স্মৃতিবৎ ভালোবাসা…!

অপরূপ অলংকরণে সাজানো কবিতা

তুমুল নিশীতে প্রবল বৃষ্টি ঝম-ঝম ঝড়ে।
নিস্তব্ধ চরাচর বেঘোর ঘুমে ব্যস্ত।
কোনো এক বাগানায়ত্ত করা দেয়াল ভেদ করে
সংঘ বেঁধে পালায় সুগন্ধিরা।
ফুলের সৌরভগুলো বৃষ্টির সুবাসে মিশে
এক পৌরানিক সাম্রাজ্য সৃষ্টিতে উন্মত্ত।
সুগন্ধি সৌরভ সুবাসে মাতাল এক গুচ্ছ
অহল্যা ডানা অলা পরী,
আমার জানালা পাশের ছাদে নৃত্য করে।
অতঃপর, সমগ্র মিলে অপরূপ অলঙ্করণে সাজানো হয়
আমার গল্পের এই কবিতা।