ভাড়াটিয়ার তথ্য নেওয়ার পর তা কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে রাখা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক : ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম বলেছেন, রাজধানীবাসী বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার তথ্য নেওয়ার পর তা কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে রাখা হবে। পুলিশের প্রয়োজনে তা ব্যবহার করা হবে। কেউ চাইলেও তাকে দেওয়া হবে না। এমনকি সরকারি কোনো সংস্থা চাইলেও এগুলো দেওয়া হবে না।রোববার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, সাম্প্রতিককালে রাজধানীতে জঙ্গিরা বাসা ভাড়া করে নাশকতা চালানোর জন্য প্রস্তুত হয়েছিল। কিন্তু পুলিশের বিচক্ষণতার কারণে তা ভেস্তে যায়। গ্রেফতারকৃত জঙ্গিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, জেএমবি ও আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্যরা নাশকতা চালানোর জন্য তিন থেকে চার মাস আগে বাসা ভাড়া নেয়। বাড়িওয়ালার কাছে কোনো রকম তথ্য থাকে না।তিনি বলেন,  রাজধানীবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থেই এ ধরনের তথ্য নিয়ে ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা হবে।

তিনি আরো বলেন, ভাড়াটিয়াদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তাদের তথ্য নিয়ে অপব্যবহার করা হবে না। এসব তথ্য সাধারণ কোনো পুলিশ সদস্যও ব্যবহার করার সুযোগ পাবে না।মনিরুল ইসলাম বলেন, আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ করার কথা রয়েছে। কিন্তু হাইকোর্টে এক আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কিছুটা বিভ্রাট ঘটে। আজ তা খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। এখন যদি ওই সময়ের মধ্যে তথ্য সংগ্রহ শেষ না হয় তবে এ মাসের শেষ দিন পর্ন্ত তথ্য সংগ্রহ করা হতে পারে।এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ডিএমপির নিজস্ব অর্থায়নেই এ কাজ করা হচ্ছে। পুলিশের নিজস্ব জনবল এসব কাজ করছে।অপর এক প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন, ডাটাবেজ তৈরির কাজ আগামী ৬ মাসের মধ্যে শেষ করা হবে। তবে তার আগেই তথ্য সংগ্রহের হার্ড কপি সংগ্রহ করা হচ্ছে।সব শেষ তথ্য অনুযায়ী ডিএমপির কয়েকটি থানায় ফোন করে জানা যায়, এখন পর্যন্ত ৬০ শতাংশ লোকের তথ্য থানাগুলোতে জমা হয়েছে। বাকি ৪০ শতাংশ বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার তথ্য নেওয়ার জন্য জোর তৎপরতা চালানো হচ্ছে। তবে এর পরেও ১৫ মার্চের মধ্যে সব তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব নয় বলে জানান সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তারা।